শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

রাজশাহীর ৫০ টন আম যাবে বিদেশে

রাজশাহীর আমের খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে কয়েক বছর ধরেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে রাজশাহীর আম। এ বছরও রাজশাহীতে বিদেশে রফতানিযোগ্য আমের উৎপাদন হবে প্রায় ১০০ টন।

এর মধ্যে অন্তত ৫০ টন আম রফতানি করতে চায় কৃষি বিভাগ। রফতানি করতে এখন রাজশাহী মহানগরী ও বাঘা উপজেলায় প্রায় ৫০ হাজার আম উন্নত প্রযুক্তিতে ‘ফ্রুট ব্যাগিং’ করা হচ্ছে। এর বাইরেও ভালো জাতের কিছু আম বিদেশে রফতানি করা হবে। অপরদিকে আজ থেকে গোপালভোগ আম ভাঙা শুরু হচ্ছে। এতে আমের বাজার জমজমাট হবে বলে আশা চাষীদের।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে, বিদেশে আম রফতানি করতে হলে ২৬টি শর্ত মানতে হয়। ‘ব্যাগিং’ হচ্ছে শর্তগুলোর একটি। তবে ব্যাগিং করা না হলেও আমের মান ভালো হলে রফতানি করা যায়। তবে বিদেশ পাঠাতে হলে সব আম কোয়ারেন্টাইন পরীক্ষা করা হয়। এজন্য রফতানিকারকরা আম ঢাকার শ্যামপুর প্ল্যান কোয়ারেন্টাইন উইং সেন্ট্রাল প্যাকিং হাউসে নিয়ে যান। আমের মান ভালো হলে সেখানে ছাড়পত্র দেয় কর্তৃপক্ষ।

এরপরই জাহাজে করে আম বিদেশে যায়। গত বছর কোয়ারেন্টাইন পরীক্ষার কড়াকড়িতে আম রফতানি কম হয়েছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক শামসুল হক বলেন, চলতি মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলে প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার টন আমের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) এসএম আবদুল কাদের বলেন, বেঁধে দেয়া সময় অনুযায়ী কেবলমাত্র গাছে পাকলেই গুটি আম পাড়তে পারবেন চাষীরা।

জানা যায়, সব শর্ত মেনে গতবছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ২৫ টন আম রফতানি করেছেন রাজশাহীর ১৪ জন ব্যবসায়ী। ২০১৭ সালে রফতানি হয়েছিল ৩০ টন। গত বছর রফতানিযোগ্য ১০০ টন থাকলেও সব রফতানি করা যায়নি। পরে তা কম দামে দেশের বাজারেই তা বিক্রি করতে হয়। বাঘা উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামের আম ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, বিদেশিদের শর্ত মেনে আম রফতানি করি গত বছর। বায়ারদের কাছ থেকে কোনো অভিযোগ আসেনি। এবারও আমরা ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে ভালোভাবে আম চাষ করেছি। আশা করছি রফতানি করতে পারব। কারণ রাসায়নিকমুক্ত এই আমের গুণগত মান ভালো। তবে রাজশাহী অ্যাগ্রো ফুড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ারুল হক বলছেন, ২০১৬ সালে বেশি আম রফতানি করা সম্ভব হলেও কোয়ারেন্টাইনের কড়াকড়ির কারণে পরবর্তী সময়ে খুব বেশি আম রফতানি করা যায়নি। তিনি জানান, গত বছর রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় তিন কোটি আম ফ্রুট ব্যাগিং প্রযুক্তিতে চাষ করা হয়। কিন্তু এ বছর ফ্রুট ব্যাগিং আমের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজারে। তবে দেশেও ফ্রুট ব্যাগিং প্রযুক্তির দেশীয় আমের চাহিদা এবার বেশি। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক শামসুল হক বলেন, এবার অন্তত ৫০ টন আম বাইরের দেশে পাঠাতে পারব।
গোপালভোগ আম ভাঙা শুরু আজ : সুস্বাদু গোপালভোগ জাতের আম আজ থেকে ভাঙা শুরু হচ্ছে। এ জাতের আম বাজারে এলে বেচাকেনা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ১৫ মে থেকে গুটি জাতের আম ভাঙার মধ্য দিয়ে বাজারজাতকরণ শুরু হয়। এছাড়া রানীপছন্দ ২৫ মে, খিরসাপাতা বা হিমসাগর ২৮ মে এবং লক্ষণভোগ বা লখনা ২৬ মে, ল্যাংড়া আম ৬ জুন, আমরুপালি ও ফজলি ১৬ জুন এবং ১৭ জুলাই থেকে আশ্বিনা জাতের আম ভাঙা শুরু হবে। এদিকে উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ আমের বাজার হিসেবে পরিচিত রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর হাটে এখনও জমেনি আমের বাজার। অল্প কিছু আম দিয়ে কেবল আড়তগুলো চালু করার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে গুটি আম প্রতিমণ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১২শ’ থেকে ১৩শ’ টাকায়। আর খুচরা বাজারে তা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

error20
fb-share-icon0
Tweet 10
fb-share-icon20


পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

Posted by News Pabna on Monday, August 10, 2020

© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
error: Content is protected !!