রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:০০ অপরাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ২০ তলা তিনটি ভবন হবে

ফাইল ফটো

image_pdfimage_print
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

নিউজ ডেস্ক :  রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ২০ তলা বিশিষ্ট তিনটি ভবন নির্মাণ করা হবে। এজন্য মোট ব্যয় হবে ২১৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে দুটি ভবন নির্মাণ করবে এমএসিএল-এমএসসিএল  (জেভি) এবং অপর একটি ভবন নির্মাণ করবে মেসার্স সানজিন এন্টারপ্রাইজ এবং মেসার্স জামাল অ্যান্ড কোম্পানি।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি ক্রয় প্রস্তাব মঙ্গলবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে ক্রয় কমিটির বৈঠকটি জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানায়, ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন (১ম পর্ব)’ শীর্ষক প্রকল্পের ডিপিপি ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল একনেক বৈঠকে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৫৭ কোটি ৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ১ হাজার ৮৭ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য রয়েছে ৪ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০১৩ সালে শুরু হয়ে ২০১৭ সালে জুনে শেষ হওয়ার কথা। প্রকল্প এলাকায় আবাসন পল্লী নির্মাণের জন্য ২০ তলা বিশিষ্ট দুটি ভবনে ৮৫০ বর্গফুট আয়তনের এবং একটি ২০ তলা বিশিষ্ট ভবনে ১২৫০ বর্গফুট আয়তনের মোট তিনটি ভবন নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গণপূর্ত অধিদপ্তরকে অনুমোদন দেয়।

সূত্র জানায়, একটি প্যাকেজে ২০ তলা ভিত্তির প্রতি তলায় ৬ ইউনিট বিশিষ্ট ৮৫০ বর্গফুট আয়তনের ২০ তলা দুটি ভবন নির্মাণ কাজের জন্য ১১৭ কোটি ২৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা দাপ্তরিক প্রাক্কলন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রথম সংশোধিত অনুমোদিত ডিপিপিতে পূর্ত নির্মাণ কাজের জন্য ৪০৭ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার টাকার সংস্থান রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য দরপত্র আহ্বান করলে তিনটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে এমএসিএল-এমএসসিএল (জেভি), স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এবং মীর আকতার হোসেন লিমিটেড। প্রকল্পের প্রাক্কলিত দর নির্ধারণ হয় ১১৭ কোটি ২৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। দরপত্রে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান মূল্যায়িত দরপত্রের চেয়ে বেশ মূল্য উল্লেখ করে। অংশগ্রহনকারী তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমএসিএল-এমএসসিএল (জেভি) দরপত্রে প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি দর উল্লেখ করে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে মোট ব্যয় হবে ১২৩ কোটি ৫৪ হাজার টাকা।

অপর আর একটি প্যাকেজে ২০ তলা ভিত্তির প্রতি তলায় ৬ ইউনিট বিশিষ্ট ১২৫০ বর্গফুট আয়তনের ২০ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদাতা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে মেসার্স সাজিন এন্টারপ্রাইজ এবং মেসার্স জামাল অ্যান্ড কোম্পানি। প্রকল্পের প্রাক্কলিত দর ধরা হয়েছিল ৮৬ কোটি ২৫ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি ৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি দর উল্লেখ করে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের জন্য দরপত্রে অংশ নেওয়া অপর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ছিল মীর আকতার হোসেন লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৫ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বেশি দর উল্লেখ করেছিল।


পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

Posted by News Pabna on Tuesday, August 18, 2020

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

Posted by News Pabna on Monday, August 10, 2020

© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!