শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

শিশুর সুস্বাস্থ্যে কখন কোন টিকা দেয়া প্রয়োজন জেনে নিন

শিশুর সুস্থতায় ও বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে টিকা দেয়া হয়। নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত সেসব টিকা দেয়ার নিয়ম রয়েছে। অতীতে জন্মের পর পরই শিশুরা পোলিও, ধনুষ্টংকার, যক্ষ্মা, হামের মতো ভয়াবহ সব রোগে আক্রান্ত হত।

তবে বর্তমানে সবাই সচেতন হওয়ার কারণে এসব রোগের প্রকোপ কমেছে। তবে এখনো অনেকেই জানেন না কোন সময় শিশুর কোন টিকাটি দেয়া উচিত-

বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের ৬ টি রোগের টিকা একদম ফ্রি তে নেয়া সম্ভব। সেগুলো হলো-পোলিও, ধনুষ্টংকার, ডিপথেরিয়া, হাম, যক্ষা, হেপাটাইসিস-বি, হেমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা।

১. সরকারি কর্মসূচিতে যক্ষ্মার (বিসিজি) ও মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা (ওপিভি) জন্মের পরই দেয়া যায়। যক্ষ্মার টিকায় হাতে দাগ তৈরি না হলে ১৪ সপ্তাহে আবার তা দিতে হবে।

২. ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে শিশুকে পোলিও টিকা (মুখে খাওয়ার ওপিভি), পেনটা ইনজেকশন (ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, হেপাটাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা- এই পাঁচ রোগের সম্মিলিত টিকা) দিতে হবে। নিউমোনিয়ার টিকা (পিসিভি ইনজেকশন) দিতে হবে ৬, ১০ ও ১৮ সপ্তাহে।

৩. পোলিওর ইনজেকশন টিকা দেয়া হয় ১৪ সপ্তাহে। হাম ও রুবেলার টিকা (এমআর ইনজেকশন) দেয়া হয় পূর্ণ নয় মাস এবং ১৫ মাস বয়সে।

৪. বেসরকারি পর্যায়েও নানা ধরনের টিকা দেয়া হয়। যেমন- দেড় মাস বয়সে কলেরার টিকা, ১২ মাস বয়সে চিকেন পক্স বা জলবসন্তের, ১৮ মাস হলে হেপাটাইটিস ‘এ’-এর এবং দুই বছর বয়সে টাইফয়েডের টিকা দেয়া যেতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে ইনফ্লুয়েঞ্জা, মেনিনজাইটিস এবং জলাতঙ্কের টিকাও দেয়া যাবে। তবে তার আগে ব্যবহারের মাত্রা, কার্যকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জেনে নেয়া বাঞ্ছনীয়।

প্রয়োজনীয় তথ্য:

একই টিকার দুই ডোজের মধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিনের বিরতি থাকতে হবে।

একই দিনে একাধিক টিকা দিলে কোনো সমস্যা নেই।

কোনো কারণে তারিখ পার হয়ে গেলে পোলিও, ডিপিটি, হেপাটাইটিস বি তারিখের অনেক পরে এমনকি এক বছর পরে দিতেও সমস্যা নেই।

পোলিও টিকা মুখে খেতে হয় বলে ডায়রিয়া থাকলে শিডিউলের ডোজ খাওয়ানোর পর ২৮ দিন বিরতিতে একটি অতিরিক্ত ডোজ খাওয়ানো হয়।

বিসিজি টিকা দেয়ার এক মাসের মধ্যে টিকার স্থানে ক্ষত হয়, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

ছোটখাটো সামান্য অসুস্থতা যেমন- জ্বর, বমি, ডায়রিয়া ইত্যাদি কারণে টিকাদান স্থগিত করার কারণ নেই। তবে মারাত্মক অসুস্থ শিশু, খিঁচুনি হচ্ছে এমন শিশু এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল শিশুকে টিকা দেয়া উচিত নয়।

error20
fb-share-icon0
Tweet 10
fb-share-icon20


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
error: Content is protected !!