রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৩০ অপরাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

সাঁথিয়ায় খাল দখল করে অর্ধশতাধিক স্থাপনা

সাঁথিয়ায় খাল দখল করে অর্ধশতাধিক স্থাপনা

image_pdfimage_print

বার্তাকক্ষ : পাবনার সাঁথিয়া পৌর শহরে একটি সেচ খাল দখল করে অর্ধশতাধিক অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এতে সেচ খাল দিয়ে পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাউবোর ব্যবস্থাপনায় ৩৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৯৯২ সালে পাবনা সেচ প্রকল্প চালু হয়। এ প্রকল্পটি চালু করতে পাউবো ইছামতী নদীকে প্রধান সেচ খালে রূপান্তরিত করে।

এ ছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের অনেক সেচ খাল খনন করে চালু করা হয়।

সাঁথিয়া পৌর শহরের মাঝ দিয়ে যাওয়া সেচ খালটি দ্বিতীয় পর্যায়ের। এটির নাম দেওয়া হয় এস-৮। সেচ খালে রূপান্তরিত হওয়ার আগে এটি সাধারণ খাল ছিল। বহু আগে থেকেই ইছামতী ও কাগেশ্বরী নদীর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে আসছিল খালটি। একসময় এই খালে পানিপ্রবাহ ছিল এবং নৌকা চলাচল করত।

সেচ খালে রূপান্তরিত হওয়ার ৮ থেকে ১০ বছর পর্যন্তও নৌ চলাচল অব্যাহত ছিল। কিন্তু দখল হওয়ার পর থেকেই সেচ খালে নৌ চলাচল বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি এটি পরিণত হয় বদ্ধ জলাশয়ে। একসময় এই সেচ খালের মাধ্যমে সাঁথিয়া পৌরসভা ও গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সেচ দেওয়া হতো। এখন এই সেচ খালটি কাজেই আসছে না।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০০ সালের আগেও সেচ খালটি অনেকটা মুক্ত ছিল। পরে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এটি দখল করে দোকানপাট গড়ে তোলা শুরু করেন। একপর্যায়ে শুরু হয় দখলের মহোৎসব।

খালের পাড় থেকে প্রায় মাঝ-বরাবর সিমেন্ট বা কাঠের খুঁটি পুঁতে তার ওপর করা হয় দোকানপাট। কোথাও কোথাও খালের অংশ ভরাট করে নির্মাণ করা হয় পাকা ও আধপাকা স্থাপনা। অবৈধ এই দখল ঠেকাতে পাউবো কখনোই বাধা দিতে আসেনি।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, খাল দখল করে মুদিখানা, সেলুন, টি-স্টল, ওয়ার্কশপ, ইট, বালু, প্রসাধনসামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান গড়ে উঠেছে। খালের মাঝ-বরাবর পর্যন্ত দখল হওয়ায় পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

দোকানগুলো থেকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য খালে ফেলার কারণে সেটি ময়লা-আবর্জনায় পরিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

খালের জায়গায় দোকান করেছেন, এমন পাঁচ থেকে ছয়জনের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা বলেন, পাউবো থেকে ইজারা নিয়ে দোকানগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। প্রত্যেকের কাছেই ইজারার বৈধ কাগজপত্র রয়েছে বলে তাঁরা দাবি করলেও কেউ তা দেখাতে পারেননি।

সাঁথিয়া পৌরসভার মেয়র মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমার জানামতে পাউবো থেকে ইজারা নিয়েই দোকানগুলো গড়ে তোলা হয়েছে। এ দোকানগুলোর কারণে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।’

সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ইজারা দেওয়ার বিষয়টি পাউবো নয়, জেলা প্রশাসনের এখতিয়ারভুক্ত। তবে যেহেতু সেচ খালের দখল হওয়া জায়গা পাউবোর, কাজেই দখলমুক্ত করতে তাদেরই উদ্যোগ নিতে হবে। এ ব্যাপারে তারা প্রশাসনিক সহায়তা চাইলে আমরা তা করব।’

পাউবোর বেড়া কার্যালয়ের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পাউবো সেচ খালের ওই জায়গা কাউকেই ইজারা দেয়নি। আমরা ইতিমধ্যেই সেখানে ৪০টি অবৈধ স্থাপনা তালিকাভুক্ত করে উচ্ছেদের জন্য নোটিশ দিয়েছি। দখলমুক্ত করার জন্য আমরা শিগগিরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’


পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

Posted by News Pabna on Tuesday, August 18, 2020

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

Posted by News Pabna on Monday, August 10, 2020

© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!