শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

সাঁথিয়ায় শিক্ষকদের নামে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের গোপন চিঠি!

সাঁথিয়ায় স্কুল কলেজে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র

image_pdfimage_print
সাঁথিয়ায় স্কুল কলেজে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র

সাঁথিয়ায় স্কুল কলেজে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র

সাঁথিয়া প্রতিনিধি : পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার স্কুল, কলেজের শিক্ষকদের নামে বর্তমান সরকারের বিতর্কিত শিক্ষানীতি ২০১০ বাতিল, শিক্ষাআইন ২০১৬ সংশোধন এবং পাঠ্যসূচীতে ব্রাম্যন্নবাদ ও নাস্তিকতা রুখতে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের নামে গোপন চিঠি দেবার অভিযোগ পাওয়া গেছে । নিজ নামে হাত মারফৎ প্রাপ্য চিঠি নিয়ে আশঙ্কায় ভুগছেন শিক্ষকরা।

জানাযায়, উপজেলার বনগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন ও সহকারী শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিনের নিকট ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম আল-আমিন স্বাক্ষরিত গোপন চিঠি গত ৬ জুন ৩ জন যুবক এসে স্ব-স্ব শিক্ষকের হাতে দিয়ে যান।

চিঠিতে প্রকাশ করা হয় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড রচিত সিলেবাসে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যা ইসলাম বিবর্জিত, ইসলাম বিদ্বেষী। যার মাধ্যমে নাস্কিকতা ও ব্রাম্যন্নবাদি পৌত্তলিক বিশ্বাস ও সংস্কৃতিক বহি:প্রকাশ ঘটেছে।

বর্তমান পাঠ্যসূচীতে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্য বইয়ে হিন্দু ও ইসলাম বিদ্বেষী লেখকের লেখা ৭১ ভাগ আর মুসলিম লেখকের লেখা মাত্র ২৯ ভাগ রয়েছে। এতে মুসলমানদের চিন্তা চেতনাকে প্রচন্ডভাবে আঘাত করে।

গোপন চিঠিতে আরও বলা হয় এই শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন হলে দেশ একটি অনিবার্য সংঘাত ও অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ধাবিত হবে। এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রকে রুখে দাঁড়াবার জন্য সিলেবাস ও শিক্ষা আইন ২০১৬ কে প্রত্যাখান করার জন্য শিক্ষকদের আহ্বান জানানো হয়।

একই ব্যক্তির স্বাক্ষরিত একই চিঠি বনগ্রাম হাজী জসিম উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক আবু সাইদ, রবিউল আওয়াল টিপু, হাবিবুর রহমান সাগর ও আব্দুল আলিমকে দেওয়া হয়েছে।

ওই চিঠি পাওয়ার পর থেকেই শিক্ষকরা হতাশা আর আশঙ্কাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তারা চিঠিকে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মনে করে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবছে।

শিক্ষক আবু সাইদ বলেন অপরিচিত ব্যক্তির হাত থেকে চিঠি পাওয়ার পর উপরের অংশ ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন লেখা দেখেই খামে ঢুকিয়ে রেখে দেই। বনগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র ঘোষ জানান, চিঠির বিষয়ে আমি পরে শুনেছি। তবে পড়ে দেখি নাই। বিষয়টি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিকে অবগত করেছি।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে , প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। থানার ওসি একই কথা বলেন।

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!