শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ০২:১১ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

সাবেক মন্ত্রীর নিয়োগ দেওয়া, পাবনার ১৯ পুলিশ সদস্য কারাগারে

পাবনার ১৯ পুলিশ সদস্য কারাগারে

image_pdfimage_print
পাবনার ১৯ পুলিশ সদস্য কারাগারে

পাবনার ১৯ পুলিশ সদস্য কারাগারে

শহর প্রতিনিধি: সাবেক একজন মন্ত্রীর সময় নিয়োগ দেওয়া পাবনায় ১৯ পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বাবার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে পুলিশের চাকরি নেওয়ার অভিযোগে আজ সোমবার (০৮ আগষ্ট) বিকেলে পাবনা শহরের চাঁদা খার বাঁশতলা নামক স্থান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশ কনস্টেবলদের সবাই সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার বাসিন্দা। পরে তাঁদের পাবনার মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. নাজিম উদ দৌলার আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সন্ধ্যার দিকে তাঁদের পাবনা কারাগারে নেওয়া হয়। বিষয়টি সারা জেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁরা হলেন সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার চরজোকনালা গ্রামের আইয়ুব আলী, আদাচাকী গ্রামের মো. কামরুল ইসলাম, সবুজ মিয়া, আবদুল কুদ্দুছ শেখ, চরমেটুয়ানি গ্রামের মো. আলী আব্বাছ, ধুকুরিয়াবেড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলী, কাজীপুরা গ্রামের মো. আবু হানিফ, খাসসাতবাড়িয়া গ্রামের মো. সাইফুল ইসলাম, কোনাবাড়ী গ্রামের মো. ফেরদৌস, চররায়পুর গ্রামের মো. সাইফুল ইসলাম, কল্যাণপুর ধুলগাগরাখালী গ্রামের মো. হায়দার আলী, সড়াতৈল গ্রামের মো. বুদ্ধি মিয়া, তেয়াশিয়া গ্রামের সুমন কুমার সরকার, বিশ্বাসবাড়ী গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম, চরমেটুয়ানি গ্রামের মো. আবদুল আউয়াল, কল্যাণপুর গ্রামের মো. আমিরুল ইসলাম, দক্ষিণ বানিয়াগাতি গ্রামের মো. আল আমিন, বয়রাবাড়ী গ্রামের মো. সোহেল রানা ও তাঁর ভাই মো. সুমন আহম্মেদ।

দুদকের পাবনার উপপরিচালক আবু বকর সিদ্দিক জানান, সাবেক একজন মন্ত্রীর সময় এসব নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই সময় ওই মন্ত্রীর জামাতা ছেলেসহ একটি চক্রের সঙ্গে যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ২০১২ সালে এবং ২০১৪ সালে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া জাল সনদ ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধার কোটায় পুলিশ বিভাগে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে ভর্তি ও যোগদান করেন তাঁরা।

তাঁদের সনদ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হলে ২০১৪ সালের ৬ নভেম্বর সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইনের রিজার্ভ অফিসার-২ উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পাবনা-সিরাজগঞ্জ সমন্বিত দুদক কার্যালয়ের পাবনার সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদকে।

দীর্ঘদিন মামলার তদন্ত শেষে আজ বিকেলে পাবনা শহর থেকে পুলিশে চাকরি নেওয়া ১৯ কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের আটকের পর পাবনার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে সোপর্দ করা হয়। পাবনার আদালত থেকে সিরাজগঞ্জ আদালতে তাঁদের স্থানান্তর করা হবে বলে দুদক সূত্র নিশ্চিত করে।

দুদক সূত্র আরো জানায়, এই মামলায় মোট আসামি ৩৯ জন। এর মধ্যে ২০ জন নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কনস্টেবল। বাকি ১৯ জন তাঁদের বাবা, যাদের নামে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ জমা দেওয়া হয়েছে। আসামিদের এদের মধ্যে একই পরিবারের দুই ভাই রয়েছেন। আজ ১৯ জন কনস্টেবলকে আটক করা গেলেও এক কনস্টেবল পলাতক রয়েছেন।

পর্যায়ক্রমে ভুয়া জাল মুক্তিযোদ্ধা সনদধারীদের আইনের আওতায় এনে সারা দেশে এই জাল প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করা হবে বলেও জানান দুদক কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক।

গ্রেপ্তার হওয়া মো. আল আমিন, মো. সোহেল রানা ও তাঁর ভাই মো. সুমন আহম্মেদ অভিযোগ করেন, সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাসের মাধ্যমে তাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন। ওই সময় মন্ত্রীর লোকজনই তাঁদের সব কাগজপত্র ঠিক করে দিয়েছিল। এখানে তাঁদের কোনো দোষ নেই। তারা প্রত্যেককে সাত থেকে আট লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়েছিলেন।

পাবনার পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবীর জানান, বিষয়টি তাঁরা জেনেছেন। তবে এটি তাঁদের এখতিয়ারের বাইরে।


পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

Posted by News Pabna on Tuesday, August 18, 2020

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

Posted by News Pabna on Monday, August 10, 2020

© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!