মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

৩ কোটি টিকা বিনামূল্যে দেবে সরকার

image_pdfimage_print

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া অক্সফোর্ডের তৈরি করোনাভাইরাসের ৩ কোটি টিকা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে কভিড-১৯ সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবেলা ও টিকা সংগ্রহের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে জানানো হয়।

গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, অক্সফোর্ডের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকার জন্য ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে অক্সফোর্ডের ৩ কোটি ডোজ টিকা সরবরাহ করবে সিরাম ইনস্টিটিউট।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গত ১৪ অক্টোবর কভিড-১৯ টিকা সংগ্রহের জন্য অক্সফোর্ডের তৈরি ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত টিকা বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৩ কোটি ডোজ বিক্রির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সাথে সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর ১৬ নভেম্বর অর্থ বিভাগ টিকা কেনার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। টিকা কেনার জন্য অর্থনৈতিক ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠাবে। এ প্রস্তাব চলে এসেছে।

টিকা কারা পাবে জানতে চাইলে সচিব বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটা গাইডলাইন আছে। প্রথম কারা পাবে, দ্বিতীয় ধাপে কারা পাবে সে অনুযায়ী তারা (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) একটা প্রোগ্রাম ডেভেলপ করছে। ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার, পুলিশ, প্রশাসনের লোক যারা মাঠে চাকরি করছে, তারপর বয়স্ক লোক, শিশু- এ রকম একটা প্রটোকল আছে।

তিনি বলেন, মানুষকে এ টিকা বিনা পয়সায় দেয়া হবে। টাকা সরকার পে করে দিচ্ছে। তিন কোটি টিকা ফ্রি দেয়া হবে। টিকা বিতরণ নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সরকার কত টাকায় টিকা কিনছে- জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ক্রয়ের চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না।

অন্যান্য টিকার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, আরো অনেকগুলো টিকার বিষয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে যোগাযোগ রাখছে। এখনই বলা যাচ্ছে না কোনটা বেশি ইফেকটিভ হবে। আমাদের এক নম্বর কন্ডিশন হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল মানতে হবে।

চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের টিকার ট্রায়াল হওয়ার কথা ছিলো, সেটি কোন পর্যায়ে আছে- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমরা রিজেক্ট করেনি। ওরা একটা টাকা চাচ্ছে। সরকার এখনো দেয়নি বা রাজি হয়নি। আমরা সেটা এখনো বাতিলও করিনি। প্রথমে টাকা চায়নি, পরবর্তীতে টাকা চাচ্ছে।

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!