বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

৪ শতাধিক তিমির মৃত্যু

নিউজিল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে এসে আটকে পড়ে চার শতাধিক তিমির মৃত্যু হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

image_pdfimage_print

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিউজিল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে চার শতাধিক তিমির মৃত্যু হয়েছে। ওই উপকূলে আটকে পড়া শতাধিক তিমি বাঁচানোর জন্য শেষ চেষ্টা করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। কেন এমন ঘটনা ঘটছে, তার কোনো কূলকিনারা এখনো করতে পারেননি বিশেষজ্ঞরা।

আজ বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপি ও বিবিসির খবরে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নিউজিল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে ফেয়ারওয়েল স্পিটে তিমি আটকে থাকার খবর পায় দেশটির কর্তৃপক্ষ। এরপর আজ শুক্রবার সকালে সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। তবে রাতে অভিযান শুরু হলেও চার শতাধিক তিমি নিউজিল্যান্ডের উপকূলে আটকে পড়ে মারা গেছে। এখনো আটকে পড়া শতাধিক তিমি বাঁচাতে শত শত স্থানীয় লোক ও স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন। তিমিগুলোকে সঠিক পথ দেখিয়ে আবারও পানিতে ফেরত পাঠাতে চেষ্টা করছেন তাঁরা। কিন্তু এত বড় বড় প্রাণী সঠিক পথে ফেরত পাঠাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা।

সামুদ্রিক তিমি প্রায়ই অজ্ঞাত কোনো এক কারণে সমুদ্রের উপকূলে চলে আসে। এ সময় পানির উচ্চতায় তারতম্যের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো আটকে পড়তেও দেখা যায়। মনে করা হচ্ছে, এ ধরনেরই এক ঘটনার শিকার হয়েছে নিউজিল্যান্ড উপকূলের পাইলট তিমিগুলো।

নিউজিল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে আটকে পড়া তিমিগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টায় স্বেচ্ছাসেবীরা। ছবি: রয়টার্স

নিউজিল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে আটকে পড়া তিমিগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টায় স্বেচ্ছাসেবীরা। ছবি: রয়টার্স

নিউজিল্যান্ডে এর আগেও দুবার এমন বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিমিরা ঠিক কোন কারণে উপকূলে এসে আটকে পড়ছে, তা তাঁরা জানতে পারেননি। তবে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনায় প্রচুর তিমি মারা যেতে দেখা যায়। অনেক সময় একটি তিমি আটকে পড়লে সেখান থেকে সংকেত পেয়ে আরও তিমি এসে আটকে পড়ে।

নিউজিল্যান্ড জানিয়েছে, এর আগে ১৯১৮ সালে দূরবর্তী চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জে ১ হাজার তিমির মৃত্যু হয়। এরপর ১৯৮৫ সালে সমুদ্রের তীরে এসে ৪৫০টি তিমির মৃত্যু হয়।

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!