রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ১১:৫২ অপরাহ্ন

করোনার সবশেষ
করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১০২ জন, শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৮ জন। আসুন আমরা সবাই আরও সাবধান হই, মাস্ক পরিধান করি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি।  

৯৬ বছর ধরে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি : ৯৬ বছর ধরে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে পাবনার ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ভাঙ্গুড়া পৌরসদরের প্রাণকেন্দ্রে ভাঙ্গুড়া বাজারে অবস্থিত।

১৯২৬ সালে ‘টোল’ জাতীয় বিদ্যালয় নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও ভাঙ্গুড়ার কিছু বিশিষ্ট জনের সহযোগিতায় বর্তমানে সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ নামে রুপান্তরিত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা বিস্তারে বিশেষ ভুমিকা রেখে চলেছে। এই বিদ্যালয়ের অনেক কৃতী শিক্ষার্থী সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায়ে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানেও আছেন।
আগামীতেও এ উপজেলায় শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভুমিকা নিয়ে এগিয়ে যাক এমন প্রত্যাশা সূধী মহলের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বর্তমানের সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিষ্ঠানটি ১৯২৬ সালে তৎকালীন পার্শ্বডাঙ্গার জমিদাদের জায়গাতে প্রথম ও ২য় শ্রেণির টোল বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই টোল বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাদের অবদান ছিল ।

তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন শ্রী নগেন্দ্রনাথ মজুমদার, দবির উদ্দীন আহম্মদ, সাবেদুল হক সরকার এবং ভাঙ্গুড়া রেলওয়ে ঘাট স্টেশন মাস্টার যিনি ন্যাংড়া মালবাবু নামে পরিচিত।

প্রথম উদ্যোক্তা হিসেবে ন্যাংড়ামালবাবু এই এলাকাতে মুসলিম জাগরণের লক্ষে প্রায় ২০ হাত লম্বা কানসতারা টিনের চাল দিয়ে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম শুরু করেছিল।

তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মুসলমানদের জাগরণের ফলে ছাত্রসংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় উচ্চ শ্রেণি খেলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
এসময় টাঙ্গাইল নিবাসী আব্দুর রহমান ভাঙ্গুড়ায় দি-চিটাগাং প্রাইভেট নামে একটি কোম্পানির ম্যানেজার পদে চাকুরী করতেন। তার প্রচেষ্টায় টোল বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত করেন।

এভাবে ১৯৩৮ সালের ১লা জানুয়ারি অত্র টোল বিদ্যালয়টির ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় নামে মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নীত হয় ।

১৯৪২ সালে কলিতকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাডেমিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয় এবং ১৯৪৩ সালে প্রথম ব্যাচে ৫ জন শিক্ষার্থী ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৫ জন শিক্ষার্থীই কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

জানা গেছে, যে ২জন ব্যক্তি বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি পদে থাকা কালীন বিদ্যালয়টির অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছিল তারা হলেন সর্দারপাড়ার অধিবাসী আলহাজ মোঃ মহাসিন আলী ও সেরাজুল ইসলাম।

পাবনা -৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মোঃ মকবুল হোসেন এর সহায়তায় ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হয়।

২০১৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারিতে সরকারি করণের আদেশ জারি হয়।

বর্তমানে ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে দৃষ্টিনন্দন ৬টি ভবন রয়েছে। তারমধ্যে ২টি ৩ তলা ২টি ২ তলা ও বাকী গুলি একতলা ভবন রয়েছে।

এখানে মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান,মানবিক ও ব্যবসা শাখাসহ প্রায় সাড়ে ৮ শত শিক্ষার্থী রয়েছে এবং কলেজ পর্যায়ে প্রায় ৪ শত শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষককর্মচারী রযেছেন ৪৩ জন।

0
1
fb-share-icon1


শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের প্রিন্স অফ পাবনা

Posted by News Pabna on Thursday, February 18, 2021

© All rights reserved 2021 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
x
error: Content is protected !!