News Pabna
ঢাকারবিবার , ৩ জুলাই ২০২২

করোনার চতুর্থ ঢেউ নিয়ে সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা

বার্তা কক্ষ
জুলাই ৩, ২০২২ ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও শনাক্ত আবারও বাড়ছে। মৃত্যুশূন্য অবস্থা থেকে সর্বশেষ দৈনিক মৃত্যু ছয়জনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার করোনা শনাক্তের হার ১ দশমিকের নিচ থেকে আবার ঊর্ধ্বমুখী। এ অবস্থাকে দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ বিরাজমান বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ঢেউ মোকাবিলায় সরকারকে কঠোর হওয়ার পাশাপাশি জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। তবে সরকার করোনা সংক্রমণ রোধে বেশকিছু পদক্ষেপ নিলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলায় অনীহা দেখা গেছে।

এ অবস্থায় করোনা সংক্রমণ রোধে ছয়টি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারদের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নির্দেশনার মধ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মাস্ক পরায়। সবক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগ করা এবং দোকান, শপিংমল, বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা, হোটেল-রেস্টুরেন্টে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে বলেও নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

তবে সরকারের কঠোর নির্দেশনার পরও মাঠপর্যায়ে মাস্ক পরায় আগ্রহ কম সাধারণ মানুষের। করোনা নিয়েও কম আগ্রহ দেখা গেছে সাধারণের মধ্যে। রাস্তায়, গণপরিবহন, বাজার কিংবা সাধারণ সভায়ও মাস্ক ছাড়াই সাধারণ মানুষের সরব উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে।

দেশ করোনার চতুর্থ ঢেউয়ে প্রবেশ করলেও আগের তিনটি ঢেউয়ের মতো অতটা খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি এখনো। করোনা সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে রোগীর চাপ কম। তবে এ নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন বিশষজ্ঞরা। কয়েকদিন ধরে দৈনিক মৃত্যু বাড়ছে। শনাক্তের হারও ঊর্ধ্বমুখী। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোশতাক হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, করোনা সংক্রমণ খুব দ্রুতই বাড়ছে। তবে করোনার চতুর্থ ঢেউ বেশিদিন থাকবে না। জুলাই মাসে এই সংক্রমণ কমে যেতে পারে। যে সংক্রমণ যত দ্রুত বাড়ে তা তত দ্রুত কমে যায়।

সরেজমিনে রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াপল্টন, পান্থপথ, বাংলামোটর এলাকায় দেখা যায়, বেশিরভাগ মানুষের মুখেই মাস্ক নেই। বসুন্ধরা শপিংমল ও ইস্টার্ন প্লাজায় মাস্ক ছাড়া প্রবেশ করতে না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে পরতে হচ্ছে। মাস্ক ছাড়া বাইরে অবস্থান করলেও এই দুটি শপিংমলে প্রবেশের সময় মাস্ক পরতে বাধ্য হচ্ছেন সবাই। তবে অন্যান্য শপিংমল ও মার্কেটে মাস্ক ছাড়াই ক্রেতা সাধারণকে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

 

error: Content is protected !!