ট্রাম্পকে নিয়ে আশার বাণী শোনাল চিকিৎসক

বিশ্ব সংবাদ : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা নিয়ে একেকবার একেক ধরনের তথ্য দিচ্ছে মার্কিন কর্মকর্তারা এবং হোয়াইট হাউস। রোববার (৪ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও ব্রায়েন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কয়েকদিন হাসপাতালেই থাকতে হবে বলে জানানোর কিছুক্ষণের মধ্যে উল্টো তথ্য দিয়েছেন প্রেসিডেন্টের চিকিৎসক সিন কনলি। তিনি বলেছেন, জ্বর না থাকায় সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকেই হাসপাতাল থেকে হোয়াইট হাউসে ফিরতে পারেন প্রেসিডেন্ট।

করোনা আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা নিয়ে শুরু হয়েছে ধোয়াশা। হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা অবনতির কথা বলা হলেও আশার বাণী শোনালেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক।

ট্রাম্পের অবস্থার উন্নতি হওয়ায় সোমবার নাগাদ তিনি হোয়াইট হাউজে ফিরতে পারেন বলে জানান ড. সিন কনলি। এর আগে, অক্সিজেন মাত্রা কমে যাওয়ায় দুই দফা কৃত্রিম অক্সিজেনের পাশাপাশি করোনায় আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্টেরয়েড ডেক্সামেথাসন দেয়া হয়।

ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, ‘আমরা সবাই প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য সম্পর্কে অবগত। এবং আমরা জানি প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে আছেন আগামীকাল সোমবার হয়তো উনাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিতে পারে।’

এদিকে, নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের অসুস্থতা নিয়ে কোনো আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিতে চান না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেন।

এরমধ্যেই ট্রাম্প যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন সেই হাসপাতালের বাইরে থেকে একটি সন্দেহজনক ব্যাগ উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।




ট্রাম্পের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা ‘ক্রিটিক্যাল’

বিশ্ব ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হাসপাতালে ‘ভালো’ থাকলেও ‘ঝুঁকি আছে’ বলে জানিয়েছে ফক্স নিউজ। একজন সিনিয়র কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা ‘ক্রিটিক্যাল’।

হোয়াইট হাউজের চিকিৎসক শান পি কনলি শনিবার প্রেসিডেন্টের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের শারীরিক উন্নতিতে ‘সত্যি দারুণ খুশি’।

কিন্তু হোয়াইট হাউজের ওই সিনিয়র কর্মকর্তা ফক্স নিউজকে বলেছেন, শুক্রবার সকালে প্রেসিডেন্টের অক্সিজেনের মাত্রা দ্রুত কমে গিয়েছিল। আগামী ৪৮ ঘণ্টা তার জন্য সংকটময়।

তিন যোগ করেন, ‘এখন ভালো উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু শুক্রবার যা অবস্থা ছিল, তাতে চিন্তা বেড়ে গিয়েছিল।’

৭৪ বছর বয়সী এই প্রেসিডেন্টের কোলেস্টেরল বেশি। হার্টের সমস্যাও আছে বলে শোনা যায়। চিকিৎসকদের চিন্তাটা মূলত এখানেই।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকালে) ট্রাম্প টুইট করে জানান, তিনি ও তার স্ত্রীর করোনাভাইরাসের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

আক্রান্তের পর পর হোয়াইট হাউজে ট্রাম্প পরীক্ষামূলক একটি ইনজেকশন নেন বলে বিবিসি’র খবরে বলা হয়।

ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের চেয়ে প্রেসিডেন্টের অবস্থা বেশি গুরুতর বলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।

শনিবার ট্রাম্প একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেন, ‘হাসপাতালে এসে খুব একটা ভালো ছিলাম না। এখন অনেকটা ভালো লাগছে। সবাই অনেক কাজ করছেন। ’

‘আমেরিকাকে আবার গড়ে তুলতে আমাকে ফিরতে হবে। আমরা এই করোনাভাইরাসকে পরাজিত করতে যাচ্ছি।’




হাসপাতালে ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক : করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হওয়ার পর অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মেরিল্যান্ডের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে নেয়া হয়েছে।

এর আগে স্থানীয় সময় বিকেলে হাসপাতালের উদ্দেশে হোয়াইট হাউস ত্যাগ করেন তিনি।

হোয়াইট হাউস ত্যাগ করার আগে স্যুট ও মাস্ক পরে প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিশেষ হেলিকপ্টার মেরিন ওয়ান-এ উঠতে দেখা যায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে হাত নাড়লেও কারও সঙ্গে কথা বলেননি।

হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্টের শরীরে মৃদু করোনা উপসর্গ দেখা দিয়েছে। শরীরে হালকা জ্বর রয়েছে। তবে তিনি বেশ চাঙা রয়েছেন। তাকে কিছু ওষুধও দেয়া হয়েছে।

এদিকে করোনা আক্রান্ত হলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেননি বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের কমিউনিকেশন ডিরেক্টর আলিসা ফারাহ।

তিনি বলেছেন, ট্রাম্প এখনো প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছেন। অতিরিক্ত সতকর্তার অংশ হিসেবে এবং চিকিৎসকদের পরামর্শে আগামী কয়েকদিন ওয়াল্টার রিড মেডিকেল সেন্টার থেকে দায়িত্ব পালন করে যাবেন তিনি।

এর আগে শুক্রবার সকালে টুইট করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ‘আজ রাতে মেলেনিয়া ট্রাম্প ও আমার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমরা দ্রুত কোয়ারেন্টাইন ও সুস্থতার প্রক্রিয়া শুরু করব।’

পরে এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শরীরে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) মৃদু উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

বুধবার ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হোপ হিকসের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেনের সঙ্গে ওহাইওর ক্লিভল্যান্ডে প্রথম নির্বাচনী বিতর্কে অংশ নিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে এয়ার ফোর্স ওয়ানের বিমানে সঙ্গী ছিলেন হোপ।

ট্রাম্পের মতো মেলানিয়া ট্রাম্পের শরীরেও করোনার মৃদু উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তবে তিনি সার্বিকভাবে ভালো বোধ করছেন বলে এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনাভাইরাসের জটিলতার উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন বলে সতর্ক করে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তারা বলেছেন, অনেক কারণ রয়েছে যেগুলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে করোনাভাইরাসের গুরুতর জটিলতায় ফেলেছে।

চিকিৎসকদের মতে, বয়স এবং অতিরিক্ত ওজনের কারণে কোভিড-১৯ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।




ট্রাম্পের করোনার খবরে শেয়ার বাজারে পতন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবরে দেশটির শেয়ারে বাজারে দরপতন হয়েছে।

ট্রাম্প শুক্রবার এক টুইটাবার্তায় ফার্স্ট লেডি মেলানিয়াসহ তার করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা জানান।

বিবিসি জানিয়েছে, এ খবরে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে লেনদেনের শুরুতেই প্রধান তিনটি সূচক ডাও জোনস, এসঅ্যান্ডপি-৫০০ ও নাসদাক কমতে থাকে। কিছু সময় পরে, এই সূচক আবার বাড়তে থাকে।

ট্রাম্প,টুইট,করোনা ট্রাম্পের টুইট
এই সূচকগুলোর এক শতাংশ থেকে ২.২ শতাংশ পর্যন্ত পতন ঘটে।

দরপতন ঘটেছে এশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি শেয়ার বাজারেও।

বিকেলে লন্ডন এফটিএসই সূচকে ৫,৮৬৬.০১ পয়েন্টে ০.২ শতাংশ হ্রাস পায়।

ফ্রান্সে ক্যাক-৪০ সূচকে হ্রাস পায় ০.৯ শতাংশ। জার্মানিতে ১.৪ শতাংশ দর হারায় ডিএএক্স ৩০ সূচক।

জাপানে নিক্কেই সূচকে হ্রাস পায় ০.৭ শতাংশ।

দরপতন ঘটেছে সিডনি, সিঙ্গাপুর, জাকার্তা ও ব্যাংককের শেয়ার বাজারেও। তবে ম্যানিলা ও ওয়েলিংটনে দর উঠতির দিকে।

ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনের ফল মানা, না মানা নিয়ে মন্তব্য করতে সম্মত না হওয়ায় নির্বাচন ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে, যার প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এর মধ্যে ট্রাম্পের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর বাজারে আরো অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।




মুসলিম ছেলে-মেয়েদের নিষিদ্ধ নামের তালিকা প্রকাশ

বিশ্ব ডেস্ক : সদ্যোভূমিষ্ট ছেলে-মেয়েদের নাম রাখার ক্ষেত্রে সৌদি নাগরিকদের বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়। ইচ্ছা হলেই তারা শিশুদের জন্য যেকোনো নাম নির্ধারণ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আছে সরকারি বিধি-নিষেধ।

তবে সরকারের কাছে নির্ধারিত নামের নির্দিষ্ট কোনো তালিকা নেই; বরং সরকারের প্রণীত বিশেষ কয়েকটি মূলনীতি অনুসরণ করে নাম রাখলেই তা নির্ধারিত নামের গণ্ডিতে চলে আসে।

গত সোমবার সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক টুইটে দেশটির নাগরিকদের সুবিধার্থে নাম রাখার মূলনীতিগুলো তুলে ধরেছেন। সেগুলো হলো—কোনো উপাধিকে নাম হিসেবে ব্যবহার চলবে না। নাম রাখার ক্ষেত্রে নামের অংশ নির্বাচন করা যাবে না। যেমন—আশ শারিফ, আস সাইয়্যিদ, আলহাজ ইত্যাদি।

মূল নামের সঙ্গে ‘সে অমুক নামে পরিচিত’ এটাও সরকারি রেজিস্ট্রিতে অন্তর্ভুক্ত হবে না এবং সংযুক্ত নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যেমন—কামরুজ্জামান। আগে থেকেই সৌদি আরবে ইসলামী মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের পরিপন্থী নাম রাখার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যেমন—আবদুর রাসুল (রাসুলের গোলাম), আবদুল লাত (জাহেলি যুগের বিশেষ মূর্তি লাতের গোলাম) ইত্যাদি। তথ্যসূত্র: ওকাজ




বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার সব আসামি খালাস

২৮ বছর আগে ১৯৯২ সালে ভারতের উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় অবস্থিত বাবরি মসজিদে হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিদের সবাইকে খালাস দিয়েছেন দেশটির আদালত।

আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এই ধ্বংসযজ্ঞের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন পর রায় ঘোষণা করছে উত্তরপ্রদেশের লখনৌউয়ের বিশেষ আদালত। তবে, রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন না বিজেপির অভিযুক্ত শীর্ষ নেতারা।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধান রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) তৎকালীন নেতা লাল কৃষ্ণ আদভানীর নেতৃত্বে ১৯৯২ সালে দফায় দফায় রথযাত্রা হয়। এই রথযাত্রা থেকে ষোড়শ শতাব্দীর অন্যতম এই মুসলিম স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। কট্টরপন্থী করসেবকরা মসজিড় গুঁড়িয়ে দেয়। এ ঘটনার পরপর দেশটিতে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। এতে প্রাণ যায় প্রায় ৩ হাজার মানুষের।

উত্তরপ্রদেশের এই মসজিদ ধ্বংস বদলে দেয় ভারতের রাজনীতি। মসজিদ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও শীর্ষ নেতা লাল কৃষ্ণ আদভানী, মুরালি মনোহর যোশী, সাবেক মন্ত্রী উমা ভারতী ও কল্যাণ সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।




করোনায় মৃত্যু ১০ লাখ ছাড়াল

গত বছরের শেষ দিকে চীনের উহানে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) বিশ্বে মৃত্যু ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। সংক্রমণ ছাড়িয়েছে ৩ কোটি ৩৩ লাখ।

ওয়ার্ল্ডো মিটারের সোমবার সকালের তথ্য অনুযায়ী, করোনায় বৈশ্বিক মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ২ হাজার ৩৮৯ জনে।

এখন পর্যন্ত বিশ্বে সংক্রমিত হয়েছে ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৪ হাজারের বেশি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন প্রায় ২ কোটি ৪৬ লাখ ৩৪ হাজার।

করোনায় সংক্রমণ এবং মৃত্যুতে শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত ৭৩ লাখ ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার মানুষের।

সংক্রমণে দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে শনাক্ত ৬০ লাখ ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন ৯৫ হাজার ৫শ’র বেশি।

মৃত্যুতে দ্বিতীয় আর সংক্রমণে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে ৪৭ লাখ ৩২ হাজার ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬ জন।

এদিকে শীত মৌসুম আসতেই উত্তর গোলার্ধে বিশেষ করে ইউরোপের দেশগুলোতে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ (সেকেন্ড ওয়েভ) শুরু হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে লকডাউনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে দেশগুলো।




ভয়াবহ যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে আর্মেনিয়া-আজারবাইজানে

বিতর্কিত নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে ব্যাপক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ভয়াবহ এ সংঘাতের জন্য একে অপরকে দায়ী করছে দু’পক্ষে। সংঘাতের কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেও খবর প্রকাশ করেছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

আর্মেনিয়া অভিযোগ করেছে, প্রতিবেশী আজারবাইজান নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলে স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে অঞ্চলটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। প্রধান শহর স্টেপেনকোর্টসহ নাগরনো কারাবাখ নিয়ন্ত্রণ করছে আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী। আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, রোববার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে হামলা চালায় আজারবাইজান। জবাবে আর্মেনিয়ার বাহিনী প্রতিপক্ষের দুটি হেলিকপ্টার এবং তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

তবে আজারবাইজানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, আর্মেনিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে তারা পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। এ সময় তারা ট্যাংক, আর্টিলারি মিসাইল, যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন ব্যবহার করেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজারবাইজানের হেলিকপ্টার ভূপাতিত করা হলেও ক্রুরা জীবিত আছেন।

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র হিকমেত হাজিয়েভ এক বিবৃতিতে বলেন, হতাহতদের মধ্যে সাধারণ মানুষ এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ হতাহত হয়েছে। সেখানে সামরিক আইন জারি ছিল। পরে পুরো এলাকা সামরিকীকরণ করা হয়েছে। আলাদা বিবৃতিতে আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলে আর্মিনিয়ার এক নারী এবং এক শিশু নিহত হয়েছে।

দীর্ঘকাল ধরে চলমান সংঘাত পর্যবেক্ষণ করছেন আল-জাজিরার রবিন ফরস্টিয়ার-ওয়াকার। রোববারের ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুতর সংঘাত বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।

নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। চিরশত্রু দু’দেশের মধ্যকার নতুন সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর আর্মেনিয়ারা ওই অঞ্চলে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ওই যুদ্ধে কারবাখকে, বাকু থেকে দখল করে নেয় তারা। সে সময় ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়।

১৯৯৪ সালে যুদ্ধবিরতিতে একমত হয় আজারবাইজান-আর্মেনিয়া। তবে নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল এবং আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সীমান্তে হামলার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করে আসছিল দু’পক্ষ।

নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে বিতর্ক নিরসনে আলোচনা, যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর মূলত থেমে যায়। ফ্রান্স, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ গঠিত মিনসক গ্রুপ সংকট সমাধানে মধ্যস্থতার জন্য চেষ্টা করেছে। কিন্তু ২০১০ সালে শান্তি চুক্তির বড় একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

অতিসত্বর যুদ্ধবিরতি এবং আলোচনা শুরুর আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য অতিদ্রুত যুদ্ধ বন্ধ এবং দ্রুত আলোচনার আহ্বান জানাচ্ছি আমরা, রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়।

তুর্কি প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইবরাহিম কালিন এক টুইট বার্তায় বলেন, বেসামরিক মানুষের ঘরবাড়িতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে আর্মেনিয়া। ভয়াবহ এ উস্কানি বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অতিদ্রুত ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

জুলাইতে আজারবাইজান-আর্মেনিয়া সীমান্তে ব্যাপক সংঘাত হয়। এতে উভয়পক্ষের ১৭ সেনা নিহত হন।




পুরুষ সংকটে ইউরোপের ৬ দেশ!

ইউরোপের কয়েকটা দেশ আছে যেগুলোতে নারী ও পুরুষের শতকরা হারের মধ্যে অনেক গড়মিল রয়েছে। রাশিয়া, লাটভিয়া, বেলারুশ, লিথুনিয়া, আর্মেনিয়া, ইউক্রেন এই দেশগুলোতে পুরুষ থেকেও নারীর সংখ্যা বেশি।

লাটভিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৮.০। লিথুনিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৭.২। আর্মেনিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.৫। রাশিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.৩। বেলারুশে প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.২। ইউক্রেনে প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.৮৭।

এর মধ্যে বাল্টিক রাষ্ট্র লাটভিয়া সাবেক কমিউনিষ্ট সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এসে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে প্রায় দুই দশক হতে চললো। কিন্তু, পুঁজিবাদি ব্যবস্থায় লাটভিয় নারীরা যতটা এগিয়েছেন, ততোটাই পিছিয়ে পড়ছেন সেখানকার পুরুষরা। পুরুষদের চেয়ে মেয়েরা সেখানে গড়ে এগারো বছর করে বেশী বাঁচছেন। ফলে, তৈরী হয়েছে নারী-পুরুষের মধ্যে এক সামাজিক ভারসাম্যহীনতা।

নারী-পুরুষের এই ভারসাম্যহীনতার প্রকৃষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় লাটভিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে – এখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা ৫০% বেশী।

সমাজবিজ্ঞানী বাইবা বেলা বলছেন, এইসব দেশগুলোতে মেয়েরা যে বয়সে সংসার গড়ার জন্য তৈরী হয় সেই বয়সে দেখা যায় ছেলেরা হয় মারা যাচ্ছে নয়তো আত্মহত্যা করছে। আর এই আত্মহত্যার সংখ্যা হচ্ছে তাদের স্বাভাবিক মৃত্যুর চারগুণ।

নারী-পুরুষের ভারসাম্যহীনতা প্রথম বোঝা যায় ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়েসীদের মধ্যে – কারণ ঐ বয়সে যে‘কজন মেয়ে মারা যাচ্ছে – তার চেয়ে তিনগুণ বেশী মারা যাচ্ছে ছেলেরা। এর অর্থ হচ্ছে, ওই বয়েসীদের মধ্যে গাড়ি দুর্ঘটনা, মাদকাসক্তি, কর্মস্থলে দুর্ঘটনা ইত্যাদির ক্ষেত্রে মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের ঝুঁকি বেশী।




উইঘুর মুসলিমদের বন্দি রাখতে আরো ডিটেনশন ক্যাম্প বানাচ্ছে চীন!

বিশ্ব ডেস্ক : উইঘুর মুসলিমদের বন্দি রাখতে জিনজিয়াং প্রদেশে আরো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করছে চীন। অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠান দ্য অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউটের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে । বৃহস্পতিবার গবেষণাটি প্রকাশ করা হয়।

দ্য অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউটের পক্ষ থেকে বলা হয়, আগের অনুমানের চেয়ে ৪০ শতাংশ ডিটেনশন ক্যাম্প বেড়েছে জিনজিয়াংয়ে। সেখানে ৩৮০টির বেশি ডিটেনশন ক্যাম্প রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চীন প্রায় দশ লাখ উইঘুর মুসলিম এই সব ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দি করে রেখেছে। তবে চীন বলছে জঙ্গিবাদ ঠেকাতে ‘নতুন করে শিক্ষা’ দেয়ার উদ্দেশ্যে ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয়েছে উইঘুরদের।

দ্য অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউটের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে যে ২০২০ সালের জুলাই পর্যন্ত জিনজিয়াংয়ে নতুন করে আরো ৬১টি ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে।

গবেষনা দলের প্রধান নাথান রুসার বলেন, তথ্য প্রমাণ বিশ্লেষণ করা দেখা যায় যে অনেক নির্দোষ ব্যক্তিকে মামলা দিয়ে সেখানে আটকে রাখা হয়েছে। রুসার গবেষণায় আরো বলেন যে আটক অনেক উইঘুর মুসলিমকে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। আবার কিছু কিছু উইঘুর বন্দিদের শিল্পকারখানার নিকটবর্তী ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ সব শিল্পকারখানায় জোর করে উইঘুর মুসলিমদের কাজ করানো হয়।

গবেষণাটি স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবি, প্রত্যক্ষদর্শী এবং গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউট।




আকামার মেয়াদ বাড়ালো সৌদি

সৌদি আরব প্রবাসীদের আকামার মেয়াদ ২৪ দিন বাড়ালো সৌদি আরব। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশেষ ফ্লাইটের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। আগামী রোববার থেকে ইস্যু করা যাবে নতুন ভিসা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর আগে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী কল্যানমন্ত্রী ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ জানিয়েছিলেন, যদি বাংলাদেশি প্রবাসীদের ভিসা ও আকামার মেয়াদ বাড়ানো হয়; তাহলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। বুধবার আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে নিজ কার্যালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন জানান, ‘সমস্যাটি সমাধানে আমরা আন্তরিকভাবে এবং সবাই মিলে কাজ করছি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে ব্যক্তি প্রতিবাদী শ্রমিকদের পক্ষে দাবিপত্র জমা দিয়েছেন তিনি প্রবাসী নন, রাজনীতিতে জড়িত স্থানীয় একজন।

দেশে এসে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের জন্য আকামা কিংবা ভিসার মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে মঙ্গলবার সৌদি আরবকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। সরকারের পক্ষ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে, প্রবাসীরা কোন রকম বিশৃঙ্খলা তৈরি করলে সৌদি সরকার উল্টো তাদের ব্যাপারে নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। উল্লেখ্য এর আগে দেশে আটকা পড়াদের জন্য মোট তিন দফায় বাংলাদেশিদের আকামার মেয়াদ বাড়িয়েছে সৌদি সরকার।

বাংলাদেশের অভিবাসী কর্মীদের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য তেল সমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরব। গত বছর বাংলাদেশি অভিবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৮.৩৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সৌদি থেকেই পাঠানো হয়েছে ৩.৬৪৭ বিলিয়ন (১৯.৮৭ শতাংশ) মার্কিন ডলার।

সৌদি আরবের টিকিটের দাবিতে কারওয়ানবাজারে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন প্রবাসীরা। এসময় সড়ক অবরোধ করেন তারা। ফলে সড়কের দু পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়।




সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়ন থেকে পিছু হটল চীন-ভারত

সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনে অতিরিক্ত সেনা না মোতায়েনে ঐক্যমতে পৌঁছেছে চীন-ভারত। সেই সঙ্গে দু’দেশের সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতেও সম্মত দুই পারমাণবিক ক্ষমতাধর প্রতিবেশী রাষ্ট্র।

সেনা কমান্ডার পর্যায়ের ষষ্ঠ রাউন্ড বৈঠক শেষে (২২ সেপ্টেম্বর) দুই দেশ যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় আর অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করবে না নয়াদিল্লি-বেইজিং।

সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েক দফায় সীমান্তে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ভারত ও চীনের সেনারা। এমন পরিস্থিতির ইতি টানতে বৈঠকে বসে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশ।

বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়, উভয় পক্ষই ‘ভুল বোঝাবুঝি এবং ভুল ধারণা এড়াতে’ এবং একতরফাভাবে স্থল পরিস্থিতি পরিবর্তন করা থেকে বিরত থাকতে সম্মত হয়।

এর আগেও সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনে দুই দেশের প্রতিরক্ষা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পর্যায়ে বৈঠক হয়। তারপরও পরিস্থিতি বদলায়নি।

গত জুনে লাদাখে চীনা বাহিনীর আগ্রাসনের পর থেকে সীমান্তে উত্তেজনা চরমে। একাধিকবার ছোটখাটো সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই দেশের সেনাবাহিনী। সংঘাতে ২০ ভারতীয় সেনা প্রাণ হারান।